বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় দুর্ঘটনা নিরসনে পদক্ষেপ সমূহ আলোকে পোশাক শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে করণীয় দিকসমূহ প্রতি আলোকপাত করুন।

বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় দুর্ঘটনা নিরসনে পদক্ষেপ সমূহ আলোকে পোশাক শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে করণীয় দিকসমূহ প্রতি আলোকপাত করুন।
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

 

বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় দুর্ঘটনা নিরসনে পদক্ষেপ সমূহ আলোকে পোশাক শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে করণীয় দিকসমূহ প্রতি আলোকপাত করুন।

২.বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় দুর্ঘটনা নিরসনে পদক্ষেপ সমূহ আলোকে পোশাক শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে করণীয় দিকসমূহ প্রতি আলোকপাত করুন।

বাংলাদেশের শিল্প কি লিখবে।
বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্প কি ধারণা উল্লেখ করবে ।
শিল্প শ্রমিকদের সার্বিক নিরাপত্তার সম্পর্ক লিখবে ।

উত্তরসমূহ

বাংলাদেশের শিল্প কি লিখবে।

উত্তর:

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্প খাতের ভূমিকা অপরিসীম। টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতি অর্জনের জন্য ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন অপরিহার্য। একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি মূলত সেই দেশের শিল্প ও শিল্পায়নের উপর নির্ভর করে।

বিশ্বায়নের কারণে বর্তমান বিশ্ব-অর্থনীতি মুক্ত-অর্থনীতিতে পরিণত হচ্ছে। তাই প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজার ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার্থে শিল্পের অগ্রগতি অপরিহার্য।

[Note: Sample Answer: Md Rakib Hossain Sojol (Bangla News Express)]

বৃহদায়তন শিল্প
বাংলাদেশের শিল্পখাতে প্রধানত তিন শ্রেণীর শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বৃহদায়তন শিল্প, ক্ষুদ্র শিল্প ও কুটির শিল্প। তবে এ তিন শ্রেণীর শিল্পের কোনো সঙ্গতিপূর্ণ সংজ্ঞা পাওয়া যায় না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বৃহদায়তন শিল্পের উপাত্ত সংগ্রহ করে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর
সংজ্ঞা অনুসারে ১০ জন বা এর বেশি শ্রমিক নিয়োগ করে এরূপ শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বৃহদায়তন শিল্প বলা যায়। এই শ্রেণীর শিল্পের মধ্যে মাঝারি শিল্পও অন্তর্ভুক্ত আছে।

ক্ষুদ্র শিল্প
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উপর উপাত্ত সংগ্রহ করে। এই
সংস্থার সংজ্ঞা অনুসারে ১০ থেকে ২০ জন শ্রমিক নিয়োগ করে এবং ২৫ লক্ষ টাকার কম স্থায়ী সম্পদ আছে এরূপ শিল্পকে ক্ষুদ্র শিল্প বলা হয়। তবে কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান ২০ জনের বেশি শ্রমিক থাকলেও যদি সে প্রতিষ্ঠান যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার না করে তবে সেটিও ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত হয়।

কুটির শিল্প
যে সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানে অধিকাংশ বা সবই পরিবারের লোক, আংশিকভাবে বা পূর্ণভাবে
নিয়োজিত থাকে এবং যেগুলোতে ১০ জনের বেশি শ্রমিক কাজ করেনা সেগুলোকে বুঝায়। তবে যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করে এরূপ শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২০ জন পর্যন্ত শ্রমিক থাকলেও তা
কুটির শিল্প হিসেবে বিবেচিত হয়।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশের শিল্প খাত এক জাতীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি নয়। এর মধ্যে আধুনিক শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে আমদানিকৃত আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। আবার চিরায়ত প্রযুক্তি এবং পারিবারিক শ্রম ব্যবহৃত হয় এরূপ শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণীর শিল্প প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য চলতি উপাত্ত পাওয়া মুশকিল। তবে যে উপাত্ত
পাওয়া যায় তা থেকে দেখা যায় যে বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ শিল্পখাতের জাতীয়
আয়ে শতকরা ৬৫ ভাগ এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পসমূহ শতকরা ৩৫ ভাগ অবদান রাখে।


বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্প কি ধারণা উল্লেখ করবে ।

উত্তর:

[Note: Sample Answer: Md Rakib Hossain Sojol (Bangla News Express)]

রপ্তানি পণ্য তালিকায়

  • আমাদের দেশে রপ্তানি পণ্য তালিকায়
  • পাট,
  • চা,
  • চামড়া,
  • চিংড়ি,
  • তৈরি পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য রয়েছে।
  • এসব পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে আমাদের দেশে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। এসব প্রচলিত রপ্তানি পণ্যের তালিকার বাইরে এখন আমাদের দেশের বিভিন্ন ধরনের অপ্রচলিত পণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। দেশের সীমিতসংখ্যক রপ্তানিকারক অত্যন্ত স্বল্প পরিসরে এসব অপ্রচলিত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছেন।
  • এসব অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে প্লাষ্টিকের পরিত্যক্ত সামগ্রীর চিপস (প্লাষ্টিকের গুঁড়া) টেক্সাইল ববিন,
  • প্লাষ্টিক ষ্ট্রীপ,
  • পুরাতন কম্পিউটার এবং
  • টিভির প্লাষ্টিক কভার,
  • মাছের পোটকা,
  • শুঁটকি,
  • মাছের আঁশ,
  • গরুর ভুঁড়ি,
  • ফুলের ঝাড়ু,
  • টেক্সটাইল ওয়েষ্টেজ,
  • জুটকটন,
  • রিরোলিং মিলের স্ক্র্যাপ,
  • নারিকেলের ছোবড়াসহ বিভিন্ন ধরনে
[Note: Sample Answer: Md Rakib Hossain Sojol (Bangla News Express)]

আগে যেখানে প্লাষ্টিকের বোতল অথবা প্লাষ্টিকের সামগ্রী ব্যবহারের পরে ফেলে দেয়া হত এখন সেখানে এসব প্লাষ্টিকের সামগ্রী সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। প্লাষ্টিকসামগ্রীর ওয়েস্টগুলো বিশেষ করে চীনে বেশি রপ্তানি করা হচ্ছে। প্লাষ্টিকের ওয়েস্টগুলো দিয়ে উন্নতমানের প্লাষ্টিক রুপ তৈরি করা হচ্ছে। টেক্সটাইলের পরিত্যক্ত ববিন দিয়ে প্লাষ্টিক ফাইবার তৈরি করা হচ্ছে। পরিত্যক্ত ববিন দিয়ে প্লাষ্টিক ফাইবার তৈরি করা হচ্ছে। পরিত্যক্ত প্লাষ্টিকসামগ্রী দিয়ে ইদানীং আমাদের দেশেও প্লাষ্টিক পাইপ তৈরি হচ্ছে। পরিত্যক্ত গাড়ির টায়ারগুলো আগে কোন কাজে আসত না। বর্তমানে এসব টায়ারগুলো বিশেষভাবে পরিষ্কার করে যে অবস্থায় থাকে সেই অবস্থায় রপ্তানি করা হচ্ছে।

আমাদের দেশে জবাইকৃত গরুর ভূঁরি ফ্রোজেন করে চীনে রপ্তানি করা হচ্ছে। চীন এবং হংকং-এ গরুর ভূঁরির বেশ চাহিদা রয়েছে। সেসব দেশে গরুর ভূঁরির স্যুপ বেশ জনপ্রিয় বলে জানা যায়। মাছের পোটকা এবং মাছের আঁশ দিয়ে বিদেশে ওষুধ তৈরি করা হয়। অনেক উচ্চ দামে মাছের পোটকা এবং আঁশ রপ্তানি করা হচ্ছে।

[Note: Sample Answer: Md Rakib Hossain Sojol (Bangla News Express)]

পোশাক শিল্পের ওয়েস্ট কটনগুলোর বিদেশে বেশ চাহিদা রয়েছে। ওয়েস্ট কটন দিয়ে উন্নতমানের তুলা তৈরি করা হয়। টিভি এবং কম্পিউটারের প্লাষ্টিক কভারের চাহিদা থাকায় এগুলো রপ্তানি করা হচ্ছে, আমাদের দেশে উত্পাদিত ফুলের ঝাড়ু দিয়ে বিদেশে ফ্লাওয়ার বেজ তৈরি করা হয়। প্রবাসে অবস্থানরত বাঙালিরা ফুলের ঝাড়ু দিয়ে গৃহস্থালির কাজ সমাধা করে থাকে। রপ্তানিকারক কবির আহমদ চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশের এসব অপ্রচলিত পণ্যের চাহিদা বিদেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই এসব পণ্য রপ্তানিতে এগিয়ে আসছেন।

এসব অপ্রচলিত পণ্য সংগ্রহ করা বেশ কঠিক কাজ। সারা দেশে এসব সংগ্রহের জন্য নিয়োজিত আছে বিশাল সংখ্যক জনসংখ্যা। অপ্রচলিত পণ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সম্পৃক্ত হচ্ছে হাজার হাজার লোক। এতে করে বিশাল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থানও হচ্ছে। আমাদের দেশে অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে প্রতি বছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে এসব অপ্রচলিত পণ্য শিল্পের রূপধারণ করতে যাচ্ছে। কবির আহম্মদ আরও বলেন, এসব অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানি করতে গিয়ে রপ্তানিকারকদেরকে মূলধন নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। উচ্চহারে ব্যাংক ঋণ নিয়ে এসব অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানি করতে গিয়ে লোকসানের শিকার হচ্ছেন।

রপ্তানি আয়ের উপর উচ্চহারে কর নির্ধারিত থাকায় রপ্তানিকারকরা সমস্যায় পড়ছেন। এসব অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানির ব্যাপারে রপ্তানিকারকদেরকে সরকারের তরফ থেকে সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দিতে হবে। চীন, হংকং, ভিয়েতনামসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে এসব অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এসব পণ্য সারা দেশ থেকে সহজে সংগ্রহের ব্যাপারে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। দেশে অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে দেশীয় সব ধরনের পণ্য রপ্তানির ব্যাপারে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নিত্য নতুন পণ্য রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। দেশের ক্ষুদ্র কুটির শিল্পগুলোকে সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দিয়ে মানসম্মত পণ্য উত্পাদনের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানির সুযোগ দিতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে আমাদের বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনার একটি দেশ। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলেই আমরা আরো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব।

[Note: Sample Answer: Md Rakib Hossain Sojol (Bangla News Express)]

H.S.C

إرسال تعليق

আমাদের সাথে থাকুন
Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.